অনুখাদ্য কি – গাছের জীবন ধারণের জন্য অনুখাদ্যের ভূমিকা

Last updated on July 12th, 2024 at 11:39 pm

গাছের জীবন ধারণের জন্য যে সকল উপাদানের প্রয়োজন হয়, তারমধ্যে ১৭ টি উপাদানকে অত্যাবশ্যকীয় মনে করা হয়। কার্বন, হাইড্রোজেন এবং অক্সিজেন ব্যতিত অন্যান্য ১৩ টি উপাদান গাছ মাটি হতে সংগ্রহ করে থাকে এবং এই ১৩ টি উপাদান কে বলা হয় অনুপুষ্টি। গাছের পুষ্টি গ্রহনের পরিমাণের উপরে নির্ভর করে এ সকল উপাদানকে মোট ২ ভাগে ভাগ করা যায়।

উদ্ভিদের যে ৭টি খাদ্যোপাদান যেমন আয়রন, জিঙ্ক, বোরন, মলিবডেনাম, কপার, ম্যাঙ্গানীজ ও ক্লোরিন উদ্ভিদের খুব কম পরিমানে প্রয়োজন হয়। এই জন্য এদের গৌন উপাদান বা অনুখাদ্য বলা হয়। অল্প মাত্রায় প্রয়োজন হলেও এর কোন একটি ঘাটতি হলে উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হয়, এর ফলে ফলন কমে যায়। বর্তমানে অনুখাদ্যের সমস্যা রাজ্যের প্রতিটি জেলাতেই দেখা যাচ্ছে। যেসব অঞ্চলে বিশেষ করে লাল কাঁকুরে মাটি আছে সেই সকল স্থানে জিঙ্ক, বোরন এবং মলিবডেনামের অভাব লক্ষ করা গেছে।

অনুখাদ্য কি – গাছের জীবন ধারণের জন্য অনুখাদ্যের ভূমিকা

Table of Contents

গাছের অনুখাদ্য:- আজকের প্রতিবেদনে আলোচনা করবো অনুখাদ্য নিয়ে। অণুখাদ্য কি? গাছের কেন অনুখাদ্য প্রয়োজন হয়? এবং অনুখাদ্যের অভাবে গাছে কোন কোন উপসর্গ দেখা যায়? অনুখাদ্যের মধ্যে পাওয়া যায় আয়রন, জিঙ্ক, মলিবডেনাম, বোরন, কপার, ম্যাঙ্গানীজ, সোডিয়াম, নিকেল ও ক্লোরিন এগুলো গাছের জন্য খুব অল্প পরিমানে দরকার হয় তাই এর মিশ্রনের নাম অনুখাদ্য কিন্তু এগুলো গাছের জন্য গাছের অত্যাবর্ষকীও।

গাছের অনুখাদ্য কি?

কৃষিক্ষেত্র বা ছাদবাগান সর্বত্র মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের গুরুত্ব অপরিসীম। এগুলি উদ্ভিদের জন্য প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান, যা উদ্ভিদের সুস্থ বৃদ্ধি এবং উন্নত ফলনের জন্য অত্যাবশ্যক। যদিও এগুলি খুবই ক্ষুদ্র পরিমাণে প্রয়োজন হয়, তবে এদের অভাব উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। আয়রন, ম্যাঙ্গানিজ, জিঙ্ক, মলিবডেনাম, কপার, বোরন, ক্লোরিন ইত্যাদি উপাদানগুলি গাছ খুবই অল্প পরিমাণে মূল এবং পত্ররন্ধ দ্বারা গ্রহণ করে থাকে, তারাই অনুখাদ্য বা Micronutrient।

অনুখাদ্যের অভাব জনিত লক্ষণ:

1. জিঙ্ক বা দস্তার অভাব জনিত লক্ষণ

জিঙ্কের অভাব ঘটলে, গাছের পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ ও পাতার কিনারা এবং অগ্রভাগ, হলুদ বা বাদামী বর্ণের হয়ে যেতে থাকে এবং নতুন পাতাগুলো বিবর্ণ হয় এবং মরচে পরার মতো শুকিয়ে ছোট আকৃতির হয়। এনজাইম ফাংশন, প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জিঙ্ক। বেশি অভাব দেখা দিলে কান্ডে বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

2. বোরণ বা সোহাগার অভাব জনিত লক্ষণ

নতুন পাতা ছোটো সাইজের হয় গাছ বেটে হয়,কুঁড়ি ঝরে পড়ে, ফল হলেও ফলের আঁকার ছোটো হয়।

3. আয়রণ বা লোহার অভাব জনিত লক্ষণ

আয়রণের অভাব জনিত লক্ষণ প্রধানত গাছের কচি পাতায় দেখা যায়। কচি পাতায় শিরায় সবুজ কণিকার পরিমান কমতে থাকে ফলে পাতাগুলো বিবর্ণ এবং হলুদ হয়ে যেতে থাকে। এবং পরবর্তীতে গাছের সমস্ত পাতা সবুজবর্ণ হারায়।

আয়রনের কার্যকারিতা

গাছের সবুজ অংশ ক্লোরোফিল সংশ্লেষণের জন্য অপরিহার্য, খাদ্য সংবহন, এনজাইমেটিক বিক্রিয়ায় অনুঘটক হিসাবে আয়রনের ভূমিকা খুব গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত মাটিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে আয়রন থাকলেও, মাটি যদি অতিরিক্ত খারিও হয়ে যায়, তাহলে গাছ মাটি থেকে আয়রণ শোষণে অক্ষম হয়ে পড়ে।

4. জিঙ্ক বা দস্তার অভাব জনিত লক্ষণ

জিঙ্কের অভাব ঘটলে, গাছের পাতার শিরার মধ্যবর্তী অংশ ও পাতার কিনারা এবং অগ্রভাগ, হলুদ বা বাদামী বর্ণের হয়ে যেতে থাকে এবং নতুন পাতাগুলো বিবর্ণ হয় এবং মরচে পরার মতো শুকিয়ে ছোট আকৃতির হয়। এনজাইম ফাংশন, প্রোটিন সংশ্লেষণ এবং বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ জিঙ্ক। বেশি অভাব দেখা দিলে কান্ডে বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে যায়।

5. মলিবডেনামের অভাব জনিত লক্ষণ

মলিবডেনাম, নাইট্রেডকে অ্যামোনিয়াতে রূপান্তরিত করতে সাহায্য করে, সে কারণে মাটিতে মলিবডেনামের অভাব দেখা দিলে গাছ মাটিতে পর্যাপ্ত নাইট্রোজেন থাকা সত্বেও তা শোষণ করতে পারে না। ফলস্বরূপ বয়স্ক পাতায় শিরা ঠিক থাকলেও পাতা জালি জালি টাইপের হয় এবং পাতার কিনারা বরাবর হলুদ বা সাদা হয়ে যেতে শুরু করে।

গাছের শেকড়ে নাইট্রোজেনের জোগান দেয় যেসমস্ত ব্যাক্টেরিয়া, মলিবডেনামের অভাব ঘটলে তারাও সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না এছাড়াও গাছের ফুল ফোটার সমস্যা দেখা দেয় এবং গাছের বৃদ্ধিতে ব্যাঘাত ঘটে।

6. কপার বা তামার অভাবজনিত লক্ষণ

তামার অভাবে পাতা কুঁকড়ে যায়, নতুন পাতা এলেও কোঁকড়ানো হয়, পাতা বিবর্ণ হয়ে যায় এবং পাতার মধ্যে গোল গোল বাদামি রঙের মরচে পড়ার মতো ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এছাড়া কখনো গাছের ডগা ঝোপালো আকৃতির হয়ে যায়।

কপার বা তামার কার্যকারিতা

তামা গাছের বেশ কিছু কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে যেমন- সালোকসংশ্লেষণ, শ্বসন এবং লিগনিন সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। এছাড়া নাইট্রোজেন বিপাকেও তামা সাহায্য করে থাকে।

7. ম্যাঙ্গানিজের অভাবজনিত লক্ষণ

ম্যাঙ্গানিজের অভাবে ক্লোরোসিস এবং পাতার আকার বিকৃতি হয় এক্ষেত্রে পাতা একটি বিশেষ রূপ ধারণ করে। ম্যাঙ্গানিজের অভাবজনিত সমস্যা বেশি হলে পাতা গুলো হলুদ হয়ে যেতে থাকে এবং সমগ্র পাতার শিরাগুলো একটি জালের রূপ ধারণ করে।

ম্যাঙ্গানিজের কার্যকারিতা

ম্যাঙ্গানিজ সালোকসংশ্লেষণ, নাইট্রোজেন বিপাক এবং নির্দিষ্ট এনজাইমের সংশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাটিতে যদি পরিমাণ মত জৈব পদার্থ মজুত থাকে, তাহলে ম্যাঙ্গানিজ-এর ঘাটতি হয় না। মাটি খারিও হয়ে গেলে, সেক্ষেত্রে ম্যাঙ্গানিজ ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়।

গাছের অন্যান্য অনুখাদ্য

সোডিয়ামের অভাবজনিত লক্ষণ

সোডিয়াম এর অভাবে গাছের তৈরী করা খাদ্য ফুল ফল পর্যন্ত সঠিক ভাবে পৌছায় না তার দরুন ফুল বা ফলের সম্পূর্ণ বিকাশ হয় না এবং অপুষ্টির কারণে ছোটো অবস্থায় বা কুঁড়ি অবস্থায় ঝরে পরে।

নিকেলের অভাবজনিত লক্ষণ

নিকেলের অভাবে পাতা কুঁচকে যায়, ফোলা ফোলা পাতা দেখতে পাওয়া যায়। ফলের গায়ে বিভিন্ন দাগ দেখা যায়।

ক্লোরিন এর অভাবজনিত লক্ষণ

ক্লোরিন গাছের মাটি শোধন ও জল শোধন করে যা জৈব কীটনাশক বা জীবাণুনাশক। ক্লোরিনের অভাবে গাছে বা মাটিতে বিভিন্ন জীবাণু বা ফাঙ্গাসের আক্রমণ দেখা যায়। পাতার বিভিন্ন রকম দাগ দেখা যায়।

কোবাল্ট এর অভাবজনিত লক্ষণ

গাছের শিকড়গ্রন্থিতে নাইট্রোজেন যোগান দিতে কোবাল্ট কোবাল্টগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটির অভাবে গাছের অক্সিজেনের ঘাটতি দেখা যায়।

অনুখাদ্য বা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের কাজ:

অনুখাদ্য উদ্ভিদের মধ্যে বিভিন্ন শারীরবৃত্তীয় এবং জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত। এগুলি এনজাইমগুলির জন্য কোফ্যাক্টর হিসাবে কাজ করে, রেডক্স প্রতিক্রিয়াগুলিতে অংশগ্রহণ করে এবং উদ্ভিদের হরমোন এবং ক্লোরোফিলের সংশ্লেষণে সহায়তা করে। এগুলোর ঘাটতি বৃদ্ধিতে বাধা, ক্লোরোসিস, ফলন হ্রাস এবং উৎপাদনের নিম্নমানের কারণ হতে পারে।

অনুখাদ্য সারের গুরুত্ব:

মাটির উর্বরতা বজায় রাখতে এবং উদ্ভিদের সর্বোত্তম বৃদ্ধি নিশ্চিত করার জন্য মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার অপরিহার্য। এই সারের গুরুত্ব বিভিন্ন উপায়ে হাইলাইট করা যেতে পারে:

  • উন্নত ফসলের ফলন: মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের পর্যাপ্ত সরবরাহ উদ্ভিদের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে, যার ফলে ফসলের ফলন বেশি হয়।
  • উন্নত পুষ্টির গুণাগুণ: মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার ফসলের পুষ্টির গুণমানকে উন্নত করে, এগুলিকে মানুষ এবং প্রাণীদের খাওয়ার জন্য আরও উপকারী করে তোলে।
  • স্ট্রেস রেজিস্ট্যান্স: পর্যাপ্ত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সরবরাহ করা গাছপালা পরিবেশগত চাপ যেমন খরা, লবণাক্ততা এবং রোগের বিরুদ্ধে বেশি প্রতিরোধী।
  • দীর্ঘকালীন ও স্বাস্থ্যকর উদ্ভিদ: মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সারের ব্যবহার মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি এবং রাসায়নিক সারের প্রয়োজনীয়তা হ্রাস করে টেকসই কৃষি অনুশীলনে অবদান রাখে।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার প্রয়োগ ফসলের ফলন এবং গুণমানের উপর গভীর প্রভাব ফেলে। বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে যে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের ঘাটতি ফসলের উৎপাদনশীলতা এবং গুণমানকে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করতে পারে।

অনুখাদ্যের প্রকারভেদ:

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা অনুখাদ্য সারের বিভিন্ন প্রকারভেদ রয়েছে, যেমন-

  • ক্লেচেটেড মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট: এটি উদ্ভিদের জন্য সহজে উপলব্ধ হয়।
  • সালফেট মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট: এটি মাটিতে দ্রুত দ্রবীভূত হয়।
  • অক্সাইড মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট: এটি মাটিতে দীর্ঘ সময় ধরে কার্যকর থাকে।

অনুখাদ্য সারের প্রয়োগ পদ্ধতি:

  • মাটি দ্বারা প্রয়োগ: মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার মাটিতে মিশিয়ে দেওয়া হয়।
  • পাতায় স্প্রে: উদ্ভিদের পাতায় সরাসরি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার স্প্রে করা হয়।
  • সেচ জলের মাধ্যমে প্রয়োগ: সেচ জলের সঙ্গে মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার মিশিয়ে প্রয়োগ করা হয়।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট সার উদ্ভিদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ফসলের ফলন বৃদ্ধি, গুণগত মান উন্নয়ন, এবং মাটির স্বাস্থ্যের উন্নতি সাধনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সঠিক মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের অভাব উদ্ভিদের সুস্থ্য বৃদ্ধি এবং উন্নত ফলনের জন্য অত্যাবশ্যক।

প্রিয় পাঠক, এই প্রতিবেদনটি পঠন করবার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ। আপনার মতো পাঠকের সহযোগিতা “ক্রিয়েটিভিটি গার্ডেনিং” সর্বদা কাম্য করে। গাছই আমাদের একমাত্র সম্পদ যা আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সুরক্ষিত করতে পারে, বাঁচিয়ে রাখতে পারে। নিঃস্বার্থে গাছ ভালবাসুন, সকলকে গাছ লাগাতে উৎসাহিত করুন।

আপনাদের যদি এই বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকে তাহলে অবশ্যই কমেন্ট বক্সের মাধ্যমে আমাকে জানাতে পারেন। সেগুলোর সমাধান করাবার আমি যথাসাধ্য চেষ্টা করব। আপনার মূল্যবান রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন, সবাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ, সবাই খুব ভালো থেকো নমস্কার।

FAQ [Frequently Asked Questions]

অনুখাদ্য সারের জন্য জৈব বিকল্প আছে?

হ্যাঁ, জৈব বিকল্পগুলির মধ্যে রয়েছে কম্পোস্ট, সার এবং প্রাকৃতিকভাবে প্রাপ্ত খনিজ, যা একটি টেকসই পুষ্টির উৎস প্রদান করে।

অতিমাত্রায় অনুখাদ্য সার প্রয়োগের গাছের ক্ষতি হয়?

অত্যধিক প্রয়োগ বিষাক্ততার দিকে পরিচালিত করতে পারে, গাছপালা এবং পরিবেশের ক্ষতি করতে পারে।

অনুখাদ্যসার কি অন্যান্য সারের সাথে মেশানো যায়?

হ্যাঁ, ভারসাম্যপূর্ণ পুষ্টি সরবরাহের জন্য এগুলি প্রায়শই ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট সারের সাথে মিশ্রিত করা যেতে পারে।

অনুখাদ্য সার কত ঘন ঘন প্রয়োগ করা উচিত?

ফ্রিকোয়েন্সি মাটি পরীক্ষা এবং ফসলের প্রয়োজনীয়তার উপর নির্ভর করে তবে সাধারণত ঋতুতে একবার থেকে ক্রমবর্ধমান সময়ের মধ্যে কয়েকবার পর্যন্ত হয়।

ফসলের সবচেয়ে সাধারণ অনুখাদ্য ঘাটতি কি কি?

সবচেয়ে সাধারণ ঘাটতিগুলির মধ্যে রয়েছে আয়রন, জিঙ্ক এবং বোরন, যা উদ্ভিদের বিভিন্ন কাজের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মূল্যবান রেটিং দিয়ে উৎসাহিত করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *